এ্যাকশন এইড বাংলাদেশ ও ইপসা’র সহযোগিতায়


সাভার রানা প্লাজায় নিহত কাউখালীর জরিনা খাতুনের সন্তানকে ১ লাখ টাকা সহায়তা প্রদান

ডেস্ক রিপোর্ট, হিলবিডিটোয়েন্টিফোর ডটকম 

Kawkhali pichillbd24.com

ঢাকার সাভারের রানা প্লাজায় ভয়াবহ ভবন ধসের ঘটনায় নিহত কাউখালী উপজেলার রাঙ্গীপাড়া গ্রামের জরিনা খাতুনের কন্যা শারমিন আক্তারকে দাতা সংস্থা এ্যাকশন এইড বাংলাদেশ পক্ষ থেকে এক লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে। শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) কাউখালীতে বেসরকারী উন্নয়ন সংগঠন ইপসা’র মাধ্যমে এই আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়।

ইপসা কাউখালী মানবসম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতি ছিলেন কাউখালী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যন অংচা প্রু মারমা। কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মোতাহার হোসেনের সভাপতিত্বে অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য দেন কাউখালী উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এ্যানি চাকমা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দীপক কুমার দাশ, ফটিকছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান এস,এম চৌধুরী, ঘাগড়া ইউপি চেয়ারম্যান থুই মং মারমা,ঘাগড়া ইউপি সদস্য আব্দুল মোতালেব, ইপসা’র প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ জসিম উদ্দিন, কাউখালী শাখার ব্যবস্থাপক মোঃ ফখরুল ইসলাম ও আবুল হাসেম।

সভায় বক্তারা এ ধরনের অসহায় এবং দরিদ্রদের জন্য উন্নয়ন সংস্থা সমূহকে সন্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার আহবান জানানো হয়।

ইপসার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চার বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে শারমিন আক্তার সবার ছোট। তার বাবা আব্দুল বারেক ২০০৪ সালে কাউখালী উপজেলার দুর্গম এলাকায় কাজ করতে গেলে সেখানে গাছের নীচে চাপা মরে মারা যায়। ছোট ছোট সন্তানদের ভরন পোষনের কথা চিন্তা করে শারমিন আক্তারের মা জরিনা খাতুন তার বড় মেয়ের সাথে সাভার রানা পাজায় শ্রমিকের কাজ নেয়। কিন্তু ভাগ্যর নির্মম পরিহাস ভবন ধসে ঘটনাস্থলেই নিহত হয় জরিনা খাতুন। অনেক খোজাখুজির পর প্রায় দশদিন পর স্বজনরা খুজে পায় জরিনা খাতুনের লাশ। পরে সেই লাশ উদ্ধার করে কাউখালীতে এনে দাফন করা হয়। শারমিন আক্তার ও তার একমাত্র ছোট ভাই ইব্রাহিম খলিল মামা আবুল হাশেমের বাড়ীতে আশ্রয় নেয়। মামার বাড়ীতে আশ্রয় নিলেও অসহায় হযে পড়ে তাদের ভবিষ্যত নিয়ে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আর্ন্তজাতিক দাতা সংস্থা এ্যাকশন এইড বাংলাদেশ-এর আর্থিক সহযোগীতায় ইপসা’র মাধ্যমে তাদের খুজে বের করা হয়।পরিবারে বিভিন্ন তথ্য উাত্ত সংগ্রহ করে শারমিন আক্তারকে এক লাখ টাকার সোনালী ব্যাংক কাউখালী শাখায় একটি এফডিআর(ফিকসড ডিপোজিট) করে দেয়া হয়। এই এফডিআর থেকে প্রতি মাসে সংগৃহীত লভ্যাংশ থেকে শারমিন আক্তার লেখা পড়াশুনার জন্য খরচ করা হবে। শারমিন আক্তারের বয়স আঠার বছর পূর্ন হওয়ার পর এই এফডিআরের টাকা এককালীন হিসেবে তার জন্য ব্যয় করা যাবে।
–হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

Print Friendly