শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে রাঙামাটি সাংবাদিক সমাজের আলোচনা সভা

স্টাফ রিপোর্টার,হিলবিডিটোয়েন্টিফোর ডটকম

Picture1
শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বুধবার রাঙামাটি সাংবাদিক সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

‘‘বিশ্বের সব জাতিগোষ্ঠীর মাতৃভাষা সুরক্ষায় বাংলাদেশ’’ স্লোগানকে সামনে রেখে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সন্মেলন কক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পরিষদ চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা। রাঙামাটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাখায়াত হোসেন রুবেলের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অরুণ কান্তি চাকমা, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুমানা রহমান শম্পা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজাউল করিম, দৈনিক গিরিদর্পণ সম্পাদক একেএম মকছুদ আহমেদ, পৌর কাউন্সিলর রবিউল আলম রবি, রাঙামাটি প্রেস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক আনোয়ার আল হক, প্রথম আলোর রাঙামাটি প্রতিনিধি হরি কিশোর চাকমা, রিপোটার্স ইউনিটির সভাপতি সুশীল প্রসাদ চাকমা, সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি নন্দন দেবনাথ, সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মিল্টন বড়ুয়া প্রমূখ।

বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি সাংবাদিক ফোরামের সাধারন সম্পাদক মিল্টন বাহাদুর, রাঙামাটি রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারন সম্পাদক মোঃ ফজলুর রহমান রাজন, ফজলে এলাহী,রাঙামাটি সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক মোঃ সোলায়মান। সঞ্চালনা করেন রাঙামাটি সাংবাদিক ফোরামের সহ-সাধারন সম্পাদক ও মনসুর আহম্মেদ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা পার্বত্যাঞ্চলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের ভাষা সুরক্ষায় পার্বত্য এলাকার গণমাধ্যমকর্মীদের ভূমিকা প্রশসনীয় উল্লেখ করে বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের গণমাধ্যম কর্মীদের লেখনির কারনে পার্বত্যাঞ্চলের বিভিন্ন ভাষাভাষির ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠিদের মাতৃভাষা জাতীয় পর্যায়ে আজ স্বীকৃতি পেয়েছে। মিডিয়া কর্মীদের কারনে সরকার পার্বত্যাঞ্চলে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের ভাষা ও সংস্কৃতি নিয়ে অবগত হওয়ার কারনে এসব ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের ভাষা সুরক্ষার জন্য বর্তমান সরকার তাদের জন্য আলাদা শিক্ষানীতি প্রনয়ণ করেছে, যা বর্তমান সরকারের বিরাট একটি অর্জন।

তিনি আরও বলেন,একুশ শুধু বাংলা ভাষার জন্য নয়, এর চেতনা বাংলা ভাষার পাশাপাশি দেশের সকল জাতিগোষ্ঠীর ভাষার জন্য। তিনি বলেন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ মাতৃভাষার মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম ২০০৩ সাল শুরু করেছিল। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের ভাষা সংরক্ষণের জন্য বই ছাপানোর পাশাপাশি শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি নিয়ে জেলা পরিষদ আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তিনি মাতৃভাষা বাংলাসহ পার্বত্যাঞ্চলে বসাবসরত বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীদের ভাষা সুরক্ষায় জন্য সর্বস্তরের গণমাধ্যমকর্মীদের লেখনিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার আহবান জানান।
–হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

Print Friendly