অপহরনের ৭দিন পর লংগদু থেকে অপহৃত ৫ জনকে দীঘিনালায় মুক্তি দিয়েছে অপহরণকারীরা

স্টাফ রিপোর্টার,হিলবিডিটোয়েন্টিফোর ডটকম

Rangamati

অপহরনের সাত দিন পর রাঙামাটির লংগদু থেকে অপহৃত এক গ্রাম প্রধানসহ ৫জনকে সোমবার দীঘিনালায় মুক্তি দিয়েছে অপহরনকারীরা।অপহরণকারীরা মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে অপহৃতদের ছেড়ে দিয়েছে বলে সন্তু লারমা নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি দাবি করেছে।

জানা গেছে, লংগদু উপজেলার আঠারকছড়া ইউনিয়নের উল্টাছড়ি গ্রাম থেকে  অপহৃত পার্বত্য চুক্তি পক্ষের সমর্থিত এক গ্রাম প্রধানসহ ৫জনকে সোমবার খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলা থেকে ছেড়ে দেয়। পরে মুক্তিপ্রাপ্তরা লংগদু উপজেলার নিজ বাড়ীতে ফিরে গেলে মুক্তি পাওয়ার বিষয়টি জানাজানি হয়।

এদিকে,পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রচার সহ-সম্পাদক সজীব চাকমা জানান, আঠারকছড়া ইউনিয়নের উল্টাছড়ি গ্রাম থেকে অপহৃত এক গ্রাম প্রধানসহ ৫জনকে সোমবার সকালের দিকে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলা কারবারী ও তার ভাইয়ের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা এবং অপর তিন জনের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা মুক্তিপণ নিয়ে তাদের ছেড়ে দেয়। তিনি এ অপহরনের ঘটনার জন্য প্রতিপ জনসংহতি সমিতির এমএন লারমা গ্রুপ জড়িত বলে দাবী করেছেন। তবে এমএন লারমা গ্রুপের জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রচার সম্পাদক প্রশান্ত চাকমা এ ঘটনার সাথে তার সংগঠনের কোন সংশিষ্টতা নেই দাবি করে জানান,সন্তু লারমা গ্রুপের লোকজন নিজেরাই এই অপহরণ ঘটনা ঘটিয়ে এখন এমএন লারমা গ্রুপের ওপর দোষ ছাপিয়ে দিচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ২৬ মে রাঙামাটির লংগদু উপজেলার আঠারকছড়া ইউনিয়নের উল্টাছড়ি গ্রাম থেকে গ্রাম প্রধান(কারবারী) প্রিয় ময় চাকমাও তার বড় ভাই সুষময় চাকমা এবং অপর তিন জন মদন চাকমা, জ্যোতিবিলাস চাকমা ও কুসুম জ্যোতি চাকমাকে একদল সশস্ত্র সদস্য অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি প্রতিপ এমএন লারমা গ্রুপের জনসংহতি সমিতিকে দায়ী করলেও এমএন লারমা গ্রুপের পক্ষ থেকে তা অস্বীকার করেছে।
–হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

Print Friendly