রাজবন বিহারে কঠিন চীবর দানোসব উপলক্ষ্য রাঙামাটি জেলা পরিষদে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

 

 

স্টাফ রিপোর্টার, হিলবিডি টোয়েন্টিফোর ডটকম
পার্বত্য চট্টগ্রাম তথা দেশের সর্ব বৃহৎ বৌদ্ধ মন্দির রাঙামাটির রাজ বন বিহারে আগামী ১৪ নভেম্বর থেকে দুদিন ব্যাপী বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দানোত্তম কঠিন চীবর উপলে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। Hill pic

জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কেক্ষ অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিষদ চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা। এতে পরিষদের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শাহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায়অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহামন, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী মোঃ খোরশেদ আলম সরকার, রাজবন বিহারের যুগ্ন সম্পাদক অমিয় খীসা, নির্বাহী সদস্য রনেল চাকমা রিন্টু, বিজিবি’র প্রতিনিধি রতন কান্তি বড়–য়া, গোয়েন্দা বিভাগের এডি এম এমরুল কায়েস, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর সহকারী পরিচালক মোঃ গোলাম মোস্তফা, পুলিশের ডিআইও ১-এর মোঃ ইসমাইল হোসেন, কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল আলম চৌধুরী, পৌর কাউন্সিলর কালায়ন চাকমা, পরিষদের নির্বাহী প্রকৌশলী দিলীপ কুমার চাকমা, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শামসুদ্দোহা নূরুন্নবী, রাঙামাটি সরকারী কলেজের প্রভাষক শান্তনু চাকমা, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সহ-সভাপতি নূরুল আবছার ও জেলা সিভিল সার্জন এর সিনিয়র স্বাস্থ্য বিভাগ অফিসার সুপতি রঞ্জন চাকমা প্রমূখ।

সভায় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান তার বক্তব্যে বলেন, পার্বত্যাঞ্চলে বসবাসত বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব কঠিন চীবর দানোৎসব রাঙামাটি রাজবন বিহারে যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদায় সুচারুরূপে সম্পন্ন এবং এ অনুষ্ঠানকে সাফল্যমন্ডিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, পৌর কর্তপ, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, তথ্য অফিস, বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, সিভিল সার্জন’সহ সরকারি অন্যান্য সকল প্রতিষ্ঠানকে সহযোগিতা প্রদানের জন্য আহ্বান জানান।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে ভগবান গৌতম বুদ্ধের জীবব্দশায় মহাপূর্নবতী বিশাখা কর্তৃক প্রবর্তিত ২৪ ঘন্টার মধ্যে সূতা কাটা শুরু করে কাপড় বয়ন, সেলাই ও রং করাসহ যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করে বৌদ্ধ ভিুদের দান করেন বলেই একে কঠিন চীবর দান হিসেবে অভিহিত করা হয়। জুমে উৎপাদিত তূলা চরকার মাধ্যমে সূতা বের করে বেইনের (কোমড় তাঁত) মাধ্যমে কাপড় বুনন, রং ও সেলাই করে চীবর তৈরীর পর তা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ভিুদের উদ্দেশ্য দান করা হয়ে থাকে।
–হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

Print Friendly