রাঙামাটি সরকারী কলেজে নবীণদেরকে বরণ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে পিসিপি

স্টাফ রিপোর্টার, হিলবিডিটোয়েন্টিফোর ডটকম

pcp

রাঙামাটি সরকারী কলেজে গতকাল সোমবার নবীনদের বরণ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সমাবেশে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে পার্বত্য চুক্তি যথাযথ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে বলেন, পার্বত্য চুক্তি আলোকে গঠিত পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ, তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ ও পার্বত্য ভূমি কমিশনকে শক্তিশালী  করে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহন করতে হবে।

1

পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ কলেজ শাখার উদ্যোগে কলেজ প্রাঙ্গনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শক্তিপদ ত্রিপুরা। পাহাড়ী ছাত্র পরিষদের কলেজ শাখার সভাপতি রিন্টু চাকমার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন জনসংহতি সমিতির জেলা শাখার সভাপতি গুনেন্দু বিকাশ চাকমা, উদয়ন ত্রিপুরা, হিল উইমেন্স ফেডারেশনের নেত্রী রিমিতা চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম যুব সমিতির জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক তাপস চাকমা ও পাহাড়ী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারন সম্পাদক জুয়েল চাকমা।

স্বাগত বক্তব্যে দেন পিসিপি নেতা সুরেশ চাকমা। অনুষ্ঠানে নবীণদের পক্ষে বক্তব্য দেন, প্রথম বর্ষের ছাত্রী চৈতী চাকমা ও মানপত্র পাঠ করেন, সূর্বনা চাকমা। নবীণ ছাত্র-ছাত্রীদের রজণী গন্ধা ফুলের সৌরভে বরণ করে নেন প্রবীণ ছাত্র-ছাত্রীরা। অনুষ্ঠানে শেষে মনোজ্ঞ এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের অয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শক্তিপদ ত্রিপুরা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রাথমিক ,মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে জর্জরিত সমস্যা।অনেক বিদ্যালয়ে শ্রেণী কক্ষ নেই,শিক্ষক সংকট  ও যোগ্য মেধাবী শিক্ষকের অভাব রয়েছে। অথচ সরকার ওই সব প্রতিষ্ঠানগুলো উন্নয়ন না করে উচ্চ শিক্ষার নামে মেডিকেল কলেজ,বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করতে যাচ্ছে। অন্যদিকে এসকল প্রতিষ্ঠান স্থাপনের ক্ষেত্রে  চুক্তি অনুযায়ী পার্বত চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ, জেলা পরিষদ ও স্থানীয়দের কোন মতামত না নেয়া হয়নি। এ এলাকায় উন্নয়ন কর্মকান্ড করতে গেলে পার্বত্য আঞ্চলিক পরিষদের মাধ্যমে হতে হবে। সরকার জুম্ম জনগনের মতামততে উপেক্ষা করে ওই সব উন্নয়ন করতে যায় তা হলে পার্বত্য জুম্ম জনগণ কখনই মেনে নেবে না।

2

পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্লান্তিকাল চলছে,পাহাড়ে আজ জুম্ম জনগণকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করছে অভিযোগ করে তিনি আরও বলেন, সরকার ভূমি অধিকরনের নামে জুম্মগণকে উচ্ছেদ করার লক্ষে একের পর এক হয়রানি করে চলেছে। তাই এভাবে  আর চলতে দেয়া যায় না। সময় এসেছে সকলেই ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনের প্রস্তুতি গ্রহনের।

–হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

Print Friendly