রাঙামাটি শহরের কাপ্তাই হ্রদ থেকে অাদিবাসী পাহাড়ী নারীর গলিত লাশ উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার,হিলবিডিটোয়েন্টিফোর ডটকম

02
রাঙামাটি শহরের সরকারী পর্যটন  মোটেল কমপ্লেক্স এলাকার পাশের দেওয়ান পাড়া এলাকার কাপ্তাই হ্রদে ভাসমান অবস্থায় বুধবার দুপুরের দিকে এক  আদিবাসী পাহাড়ী গৃহবধুর গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত গৃহবধুর নাম বিশাখা চাকমা ওরফে বিদেশী(৩০)। পুলিশ ধারনা করছে বিশাখা চাকমাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি।

পুলিশ জানায়,বুধবার দুপুরের দিকে সরকারী পর্যটন  মোটেল কমপ্লেক্স-এর ঝুলন্ত সেতুর ওপাড়ের পর্যটন স্পটের পাশে অবস্থিত দেওয়ান পাড়াস্থ জব্বারের ঘোণা এলাকার কাপ্তাই হ্রদ থেকে  স্থানীয় লোকজন পচা দুগর্ন্ধ পায়। খোজাখোজির এক পর্যায়ে হ্রদের কচুরি পানায় মাঝখানে একটি মৃত দেহ পানিতে ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পরে কতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহেল ইমতিয়াজের নেতৃত্বে এক দল পুলিশ ফোর্স ঘটনাস্থলে গিয়ে  অাদিবাসী পাহাড়ী নারীর গলিত লাশ উদ্ধার করে। উদ্ধারের পর পর এলাকার লোকজনরা  ও নিহতের স্বজনরা তবলছড়িস্থ টেক্সটাইল মার্কেটের একটি টেক্সটাইলে বিপনন কর্মী হিসেবে কর্মরত বিশাখা চাকমার লাশ বলে চিহিৃত করেন। লাশ রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্তের পর নিহত স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

পুৃলিশ ধারনা করছে নিহত বিশাখা চাকমাকে ধর্ষনের পর হত্যা করে প্লাস্টিকের বস্তায় পাথর দিয়ে হ্রদের পানিতে ফেলিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। লাশের গলায় ও শরীরে বিভিন্ন স্থানে প্লাষ্টিকের রশি দিয়ে পেঁচানোর চিহৃ রয়েছে। বিশাখার এক পুত্র সন্তান রয়েছে বলে জানা গেছে।

নিহতের বাবা সুশীল চাকমা ও ভাই ইল্টু চাকমা জানান,১৪ আগষ্ট দেওয়ান পাড়াস্থ নিজ বাসা থেকে রাতের বেলায় নিখোঁজ হন বিশাখা। তাকে অনেক খোঁজাখুজির পর তার কোন হদিস পাওয়া যায়নি। পরে বুধবার বেলা এগারটার সময় স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে থানা পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে নিহতের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে।

কতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহেল ইমতিয়াজ জানান, বিশাখা চাকমাকে সাত দিন আগে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে প্লাস্টিকের বস্তায় পাথর দিয়ে কাপ্তাই হ্রদে ফেলিয়ে দিয়েছিল দুর্বত্তরা। লাশটি পচে গিয়ে দুর্গন্ধ হয়েছে। পুলিশ হত্যাকান্ডের রহস্য বের করার চেষ্টা করছে।
–হিলবিডি২৪/সম্পাদনা.সিআর.

Print Friendly