রাঙামাটি বেতার কেন্দ্র থেকে চাকমা ভাষায় সংবাদ সম্প্রচারের উদ্বোধন

স্টাফ রিপোর্টার হিলবিডিটোয়েন্টিফোর ডটকম

Pic-01-10-14-001

বুধবার বাংলাদেশ বেতার রাঙামাটি কেন্দ্র থেকে স্থানীয় সংবাদ হিসেবে চাকমা ভাষায় সম্প্রচারের উদ্বোধন করা হয়েঝে। এতে :দ্বোধন করেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাংসদ ফিরোজা বেগম চিনু।

রাঙামাটি বেতার ষ্টুডিওতে চাকমা ভাষায় সংবাদ সম্প্রচার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ বেতার  সদর দপ্তরের উপ -মহাপরিচালক ( বার্তা) নারায়ণ চন্দ্র শীল। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ মোস্তফা কামাল, রাঙামাটি সদর উপজেলা চেয়ারম্যান অরুণ কান্তি চাকমা ও রাঙামাটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি সুনীল কান্তি দে। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বেতার রাঙামাটির উপ- বার্তা নিয়ন্ত্রক মোঃ জাকির হোসেন। এসময় বাংলাদেশ বেতার রাঙামাটির আঞ্চলিক পরিচালক ছালাহ্ উদ্দিন আহম্মেদ আঞ্চলিক প্রকৌশলী মনির আহাম্মদ চৌধুরী, বাংলাদেশ বেতার  চট্টগ্রাম কেন্দ্রের উপ বার্তা নিয়ন্ত্রক শরিফুল কাদেরসহ বেতারের কলা-কৌসুলী,শিল্পী ,সংবাদ প্রতিনিধি, সংবাদ পাঠক ও রাঙ্গামাটির বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

 জাতীয় সংসদের রাঙ্গামাটি সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ফিরোজা বেগম চিনু বলেছেন, সরকার বাংলাদেশ বেতারের সংবাদ ও অনুষ্ঠান কার্যক্রমকে শ্রোতাদের কাছে সহজে পৌছেঁ দিতে এফ এম ব্যান্ডকে আরো শক্তিশালী করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এ পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়ন হলে শ্রোতাদের যে কেউ তার মোবাইল ফোন সেটের এফ এমের মাধ্যমে বেতারের অনুষ্ঠান শুনতে পারবেন। বেতারের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তারা যেমন বিনোদন পাবেন তেমনি সংবাদ শুনে যে কোন তথ্য সহজে জানতে পারবেন। এফ এম ব্যান্ড আরো শক্তিশালী হলে বাংলাদেশ বেতারের শ্রোতা সংখ্যাও  বাড়বে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। চাকমা ভাষায় সম্প্রচারের উদ্বোধন শেষে রাঙামাটির স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় এক মনোজ্ঞ অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য ফিরোজা বেগম চিনু  বলেন ,বর্তমান ডিজিটাল সময়েও মানুষের কাছে বেতারের আবেদন আজো ফুরিয়ে যায়নি। তিনি বলেন, যে কোন দুযোর্গকালীন পরিস্থিতি মোকাবেলায় আজো বেতারের  গুরুত্ব অপরিসীম। দুর্যোগ মোকাবেলা ছাড়াও কৃষি, শিক্ষা ,স্বাস্থ্যসহ  নানা উন্নয়ন বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে বেতার বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

পার্বত্য এলাকায় বহুভাষাভাষী মানুষের বসবাস রয়েছে উল্লেখ করে ফিরোজা বেগম চিনু বলেন, পার্বত্য এলাকার ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীদের বিশেষ করে চাকমা, মারমা, ও ত্রিপুরাদের প্রচলিত ভাষায় অন্তত সংবাদ প্রচারিত হলে সে সব ভাষাভাষির মানুষ সহজে যে কোন তথ্য জানতে ও বুঝতে পারবে। সে চিন্তা থেকেই বাংলাদেশ বেতার রাঙ্গামাটি কেন্দ্র থেকে প্রথমে চাকমা ভাষায় সংবাদ প্রচারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আগামীতে  মারমা, ও ত্রিপুরা ভাষায়ও সংবাদ প্রচারের চেষ্টা থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। তিনি চাকমা ভাষায় সংবাদ প্রচারের উদ্যোগে সন্মতি দেয়ায় তিনি তথ্যমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

–হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

Print Friendly