রাঙামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সাথে ইউনিসেফের কান্ট্রি রিপ্রেনজেটিভ-এর সাক্ষাত

 স্টাফ রিপোর্টার,হিলবিডিটোয়েন্টিফোর ডটকম

Picture2

রোববার রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউনিসেফের কান্ট্রি রিপ্রেনজেটিভ এডোয়ার্ড বেইকবেডার সৌজন্য সাক্ষাতকার করেছেন।

রাঙামাটি পার্বত্যজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নিখিল কুমার সাথে তার অফিস কক্ষে  বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউনিসেফের কান্ট্রি রিপ্রেনজেটিভ এ সৌজন্য সাক্ষাতকার করেন।  সাক্ষাৎকালে এসময় উপস্থিত ছিলেন সফল হবে।

সাক্ষাৎকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের ইউনিসেফের ডিভিশনাল প্রোগ্রাম অফিসার মাধুরী ব্যাণার্জী, প্রোগ্রাম অফিসার উম্মে হালিমা, প্রোগ্রাম অফিসার লীনা লুসাই, রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আখতারুজ্জামান ও রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের জনসংযোগ কর্মকর্তা অরুনেন্দু ত্রিপুরা।

এসময় পরিষদ চেয়ারম্যান বলেন, তিন পার্বত্য জেলায় জিওবি-ইউনিসেফ পরিচালিত ‘সমন্বিত সমাজ উন্নয়ন প্রকল্প’ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। ১৯৮৫ সালে সৃষ্টি হওয়া এ প্রকল্পটি পার্বত্য চট্টগ্রামের গ্রামীণ পর্যায়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্য সুবিধা প্রদান, নারী ও শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রেখে আসছে। পরিষদে হস্তান্তরিত প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল, সমাজসেবা এবং কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের সাথে ইউনিসেফের সমন্বিত সমাজ উন্নয়ন প্রকল্পের সম্পৃক্ততা থাকায় এ জেলার সামগ্রিক উন্নয়নে গতিশীলতা আনয়নে হস্তান্তরিত বিভাগগুলোকে আরও নিবিড়ভাবে ব্যবহার করা হবে বলে মন্তব্য রাখেন। তিনি সমন্বিত সমাজ উন্নয়ন প্রকল্পের পাড়া কেন্দ্রগুলো সংস্কার, শিশুদের খাবারের ব্যবস্থা এবং স্কুল ড্রেস দেয়ার প্রস্তাব দেন।

কান্ট্রি রিপ্রেনজেটিভ বলেন, ইউনিসেফের অর্থায়নে পরিচালিত ‘সমন্বিত সমাজ উন্নয়ন প্রকল্প’টি এমন একটি প্রকল্প যেটি পার্বত্য চট্টগ্রাম ব্যতীত বাংলাদেশের সমতল অঞ্চলে আর কোথাও প্রচলিত নেই। গ্রামের শিশুদের সামগ্রিক উন্নয়নে প্রকল্পটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে এ প্রকল্পের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় একই আদলে নতুন একটি প্রকল্প বাংলাদেশের সমতল অঞ্চলে শুরু করা যায় কিনা এ বিষয়ে তিনি একটি প্রস্তাবনা দেয়ার চিন্তা-ভাবনা করছেন। এছাড়া বিখ্যাত গায়ক জর্জ হ্যারিসন ফান্ডের মাধ্যমে পরিচালিত হ্রদ এলাকায় বসবাসরত শিশুদের শিক্ষা উন্নয়নের প্রকল্পটি শেষ হয়ে গেলেও এটিকে কিভাবে ইউনিসেফের অন্য প্রকল্পের মধ্য দিয়ে সাহায্য করা যায় সে বিষয়ে ইউনিসেফ কাজ করে যাবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

–হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

Print Friendly