রাঙামাটিতে সৌখিন ফুটবল টুর্ণামেন্টে হেমাবালা একাদশকে এক গোলে হারিয়ে বালুখালী ইউনাইটেড চ্যাম্পিয়ন

স্টাফ রিপোর্টার,হিলবিডিটোয়েন্টিফোর ডটকম

Football Picture
মঙ্গলবার রাঙামাটি শাহ বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মাঝের বস্তী যুব সংঘ আয়োজিত সৌখিন ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিরোপা লাভ কওে বালুখালী ইউনাইটেড ও রানার্সআপ হয় হেমাবালা একাদশ।

খেলা শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ী দলের হাতে পুরুস্কার তুলে দেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাংসদ ফিরোজা বেগম চিনু। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি বক্তব্য দেন জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা স্বপন কিশোর চাকমা, শাহ বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মৃনাল কান্তি চক্রবর্তী, ক্রীড়া শিক্ষক আবুল বাশার চৌধুরী, সাবেক পৌর মহিলা কমিশনার মনোয়ারা জসিম, বিশিষ্ট সমাজ উন্নয়ন কর্মী অমিত চাকমা রাজু, পুলক দে, উসাং মারমা, সুরঞ্জিত তালূকদার পাপ্পু, গিরিঝিরি ২৪ডট কমের সম্পাদক মোঃ জাভেদ প্রমূখ।

ফাইনাল খেলায় শহরের গর্জনতলী হেমাবালা একাদশ বনাম বালুখালী ইউনাইটেড একাদশ মুখোমুখি হয়। খেলার প্রথমার্ধে দুই দলের ফলাফল শুন্য শুন্য থাকলেও দ্বিতৃয়ার্ধে বালুখালী ইউনাইটেড একাদশের ১৩নং জার্সি পরিহিত তপন চাকমার এক গোলে দলকে চ্যাম্পিয়ন দলে এগিয়ে নিয়ে যায়। নির্ধািিরত সময়ে খেলা হলে রেফারির শেষ বাশিঁটি বাজিয়ে বালুখালী ইউনাইটেড একাদশকে চ্যাম্পিয়ন দলে ঘোষিত করেন। প্রধান রেফরি হিসেবে খেলা পরিচালনা করে হাসমত আলী ও তার দুই সহকারী মুন্না আসাম ও জনি ত্রিপুরা।

টুর্নামেন্টে ৫ গোল করে কর্ণফুলী একাদশের খেলোড়ার আনন্দ তংচঙ্গ্যা শ্রেষ্ট গোল দাতার পুরষ্কারটি পান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফিরোজা বেগম চিনু বলেন, খেলায় ক্রীড়াই যুবকদের মাঝে ভ্রার্তৃত্ববোধ সৃষ্টি করতে পারে। খেলা মানুষের সামাজিক বন্ধন সৃষ্টিতে যেমন সহায়ক ভ’মিকা পালন করে তেমনি সুস্বাস্থের অধিকারী হতে সাহায্য করে। এই বিদ্যালয়ের মাঠটি সংষ্কারের বিষয়ে তিনি তার পক্ষ থেকে সুদৃষ্টি রাখবেন বলেও প্রতিশ্রুতী ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ, যুব সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করার প্রত্যয় নিয়ে গত মে মাসের ২৯ তারিখ হতে এ সৌখিন ফুটবল খেলাটির আয়োজন করে যুুব সংঘের রাজেশ দে, মুন্না আসাম, জনি ত্রিপুরাসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিরা।
–হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

Print Friendly