রাঙামাটিতে বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের মহাপুণ্যানুষ্ঠান সম্পন্ন

স্টাফ রিপোর্টার,হিলবিডিটোয়েন্টিফোর ডটকম

2

শুক্রবার রাঙামাটিতে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের দিনব্যাপী এক মহাপুণ্যানুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

জেলার সদর উপজেলার বন্দুকভাঙ্গা ইউনিয়নের উলুছড়িমুখ মৈত্রী বন বিহারে এ মহাপুণ্যাযজ্ঞের আয়োজন করে সদ্ধর্মপিপাসুরা। অনুষ্ঠানে পরিনির্বাণপ্রাপ্ত আর্যপুরুষ মহাসাধক শ্রীমৎ সাধনানন্দ মহাস্থবির বনভান্তের উত্তরসূরি প্রধান শিষ্য বৌদ্ধরতœখ্যাত বৌদ্ধ আর্যপুরুষ শ্রীমৎ নন্দপাল মহাস্থবিরকে একটি অত্যাধুনিক দ্রুতচালিত যান্ত্রিক জলযান স্পিডবোট দান করেন পুণ্যার্থী ও ভক্ত-অনুরাগীরা।

এছাড়া দিনব্যাপী পালিত অনুষ্ঠানমালায় ছিল সকালে ভিক্ষুসংঘের প্রাতরাশ, বুদ্ধ ও সীবলী পূজা, ধর্মীয় সঙ্গীত পরিবেশন, পঞ্চশীল প্রার্থনা, বুদ্ধমূর্তি দান, সংঘদান, বৌদ্ধরতœ শ্রীমৎ নন্দপাল মহাস্থবিরের ধর্মীয় দেশনা এবং বিকালে অষ্টপরিস্কার দান, চুরাশি হাজার বাতি, বেইনঘর, কুটির, দেশনাঘর ও নৌযান উৎসর্গ, ধর্মীয় সভা, প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও ফানুস উত্তোলন।

অনুষ্ঠানে বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি শ্রীহরি চাকমা, সাধারণ সম্পাদক চিত্র রঞ্জন চাকমা, পুণ্যার্থী হামির বিকাশ চাকমা বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সুশীল জীবন চাকমা।

পুণ্যার্থীদের উদ্দেশে তার দেশনায় বৌদ্ধরতœ ভান্তে বলেন, একাল পরকালে সুখী হতে হলে চারি-আর্য সত্য ও বুদ্ধের অহিংসা নীতির অবলম্বন করে সব পাপকর্ম পরিহার করে সৎপথে চলতে হবে। লোভ, হিংসা, বিদ্বেষ, হানাহানি মারনুষের অশান্তির কারণ। সৎ ও পুণ্যকর্ম মানুষের দুঃখমুক্তির উপায়। তাই লোভ, হিংসা, বিদ্বেষ, হানাহানি পরিহার করে একে অপরের প্রতি মৈত্রীপূর্ণ মনোভাব নিয়ে শান্তির পথে চলার পরামর্শ দেন তিনি।

–হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

Print Friendly