রাঙামাটিতে টেকসই পানি ও স্যানিটেশন সরবরাহের লক্ষে আশিকার নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন

স্টাফ রিপোর্টার,হিলবিডিটোয়েন্টিফোর ডটকম

1

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিযোজনের অংশ হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীদের টেকসই পানি ও স্যানিটেশন সরবরাহের লক্ষে স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থা আশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্র ও আরডিএ-এর সহযোগিতায় আর্ন্তজাতিজাতিক সংস্থা রাঙামাটিতে কার্যক্রম শুরু করেছে। রোববার রাঙামাটিতে  অবহিতকরণ কর্মশালার মাধ্যমে এ প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে।

রাঙামাটি জেলা ক্রীড়া সংস্থার সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত প্রকল্প অবহিতকরণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ মোস্তফা কামাল।  প্রকল্পের উদ্বোধন করেন মুসলিম এইড (ইউ,কে) বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ওবায়দুর রহমান। অনুষ্ঠানে আশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক বিপ্লব চাকমার সভাপতিত্বে ও এ্যাডঃ কক্সী তালুকদারের সঞ্চালনায় কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন আশিকার কনসালটেন্ট রিপন চাকমা। এসময় বক্তব্যে দেন রাঙামাটি সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অরুন কান্তি চাকমা, মগবান ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ চাকমা, সাবেক্ষং ইউপি চেয়ারম্যান স্বপন চাকমা। কর্মশালায় প্রকল্পের কার্যক্রমের উপর ধারনাপত্র উপস্থাপন করেন প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর বিশাখা তংচংগ্যা। অনুষ্ঠানে রাঙামাটির সদর উপজেলার মগবান ইউনিয়ন ও নানিয়ারচর উপজেলার সাবেক্ষং ইউনিয়নের সুবিধাভোগী, জনপ্রতিনিধি, সংবাদকর্মীসহ ৭০জন অংশ গ্রহন করেন।

কর্মশালায় বলা হয়,টেকসই পানি ও স্যানিটেশন সরবরাহের লক্ষে রাঙামাটি সদর উপজেলার মগবান ইউনিয়ন এবং নানিয়ারচর উপজেলার সাবেক্ষং ইউনিয়নের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর  ৩৮৩৯ পরিবারের ১৭,৮৩৬ সদস্য-সদসাকে  নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়নে ৯ মাস মেয়াদী বিশেষ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। মুসলিম এইড ইউকে এর সহায়তায় আশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্র এই প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের আওতায় নির্বাচিত দুটি ইউনিয়নে স্প্রিং ওয়াটার কেপিং সিস্টেম, প্রাকৃতিক পানির উৎস থেকে পানি সরবরাহ,  প্রাকৃতিক উপায়ে পানির উৎস সৃষ্টি, বৃষ্টির পানি সংরক্ষন, রিং ওয়েল ও ডিপওয়েল স্থাপন, বিদ্যালয়ে ল্যাট্টিন স্থাপন এর পাশাপাশি ২ শত পরিবারের মাঝে স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানা বিতরন করা হবে। এছাড়া ৪ টি ইকো স্কেন টয়লেট স্থাপন করা হবে। ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোঃ মোস্তফা কামাল বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবন রক্ষা ও জীবন মান উন্নয়নে সরকারী বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে। মুসলিম এইড ও আশিকার মাধ্যমে পাহাড়ের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সচেতনতা, বিশুদ্ধ পানি ও পয়ঃ নিষ্কাশনের উন্নয়নে যে উদ্দ্যেগ গ্রহণ করেছে তা অবশ্যই একটি মহতি উদ্যোগ। তাদের এ উদ্যোগকে সফল করার জন্য সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

–হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

Print Friendly