বান্দরবানে ভূমি বেদখলের প্রতিবাদে চট্টগ্রামে তিন সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল ও সামবেশ

ডেস্ক রিপোর্ট,হিলবিডিটোয়েন্টিফোর ডটকম

Ctg 2 May 2014 rally against land grabbing in Bandarbanhillbd24.com

বান্দরবানের ভূমি বেদখলের প্রতিবাদে শুক্রবার চট্টগ্রাম মহানগরীতে গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ ও হিল উইমেন্স ফেডারেশনের যৌথ উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সামবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

গনতান্ত্রিক যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক রিপন চাকমার স্বারিত বিবৃতিতে বলা হয়, বিােভ-মিছিলটি শহীদ মিনার থেকে একটি মিছিল শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রক্ষিণ শেষে চট্টগ্রাম প্রেস কাবের সামনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।  গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সভাপতি জিকো মারমার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ইউপিডিএফ সংগঠক অংগ্য মারমা, গণতান্ত্রিক যুব ফোরমামের কেন্দ্রেীয় যুগ্ম সম্পাদক এসিংমং মারমা, হিল উইমেন্স ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রীনা দেওয়ান, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি চন্দ্র দেব চাকমা, যুব ফোরামরে কেন্দ্রীয় সদস্য ও নাইক্ষ্যংছড়ির বাসিন্দা শুভ চাক, নাক্ষ্যংছড়ির থেকে মনুচিং মারমা ও ব্যুমং কার্বারী।

 সমাবেশে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি বিভাগের অধ্যাপক ড. জিনবোধি ভিক্ষু ও জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের চট্টগ্রাম অঞ্চলের সভাপতি এ্যাডভোকেট ভূলন লাল ভৌমিক। সভা পরিচালনা করেন সুমন চাকমা।

সমাবেশ থেকে বক্তারা অবিলম্বে রোয়াংছড়িতে বিজিবির সেক্টর সদর দপ্তর স্থাপনের নামে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন রাম জাদি মন্দির ও রাম মহাবিজয় মন্দিরের ১৫ একরসহ মন্দির-সংলগ্ন পাহাড়িদের মালিকানাধীন জমি অধিগ্রহণ প্রস্তাবের অনুমোদন বাতিল করা, রুমায় সেনাবাহিনীর গ্যারিসন সম্প্রসারণের জন্য ইতিমধ্যে গৃহীত জমি অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত বাতিল করা, ন্যাংছড়িতে ভূমিদস্যুদের দ্বারা ভূমি বেদখল ও পাহাড়ি উচ্ছেদ বন্ধ করা এবং উচ্ছেদ হওয়া পাহাড়িদের নিজ জমিতে আর্থিক তিপূরণসহ পুনর্বাসন ও চিহ্নিত ভূমি দস্যুদের গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া এবং বান্দরবানে চাক, ম্রো ও খুমিসহ বিপন্ন সংখ্যালঘু জাতিসত্তাসমূহের উন্নয়ন ও বিকাশের জন্য বিশেষ পদপে গ্রহণের দাবি জানান।

সমাবেশ ড. জিনবোধী ভিক্ষু তার বক্তব্যে বলেন, নোয়াখালী, বরিশাল সহ সমতলের বিভিন্ন জায়গা থেকে বাঙালিরা এসে পাহাড়িদের জায়গা জমি বেদখল করছে। পাহাড়ে গিয়ে তারা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস সাধন করছে। তিনি রাষ্ট্রীয় বাহিনী কর্তৃক পরিকল্পিতভাবে পাহাড়িদের হত্যা ও নির্যাতন চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন। তিনি আরও বলেন, রামুতে আওয়ামী-লীগ বিএনপি ও জামায়াতের লোকজন সম্মিলিতভাবে বৌদ্ধ মন্দিরে হামলা, লুটপাট ও পুড়িয়ে দিয়েছে। বর্তমানে সেখানে নতুন মন্দির তৈরী করে দিলেও সেখানকার শত বছরের ঐতিহ্য ধ্বংস হয়ে গেছে।

–হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

Print Friendly