প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় রাঙামাটিতে পাশের হার শতকরা ৯৮.৩১%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪১৫ জন

বিশেষ রিপোর্টার, হিলবিডিটোয়েন্টিফোর ডটকম

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায়(পিএসসি) এ বছর রাঙামাটি পার্বত্য জেলায় পাশের হার শতকরা ৯৮ দশমিক ৩১ শতাংশ।  এ জেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪শ ১৫ জন।

 প্রকাশিত পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে, ২০১৩ রাঙামাটি জেলার দশ উপজেলায় বাংলা ও ইংরেজী উভয় ভার্সনে ১১ হাজার ৬শত ৩২ জন পরিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে বালকের সংখ্যা ছিল ৫ হাজার ৮৫৭ জন  ও বালিকা ৫ হাজার ৮৪৫ জন। অংশ গ্রহনকারী পরিক্ষার্থীদের মধ্যে মাত্র ১শ ৯৭ জন অকৃতকার্য হয়। এ বছর ডিআরভূক্ত পরিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১২ হাজার ১৭৬ জন। এই হিসেবে এ জেলা থেকে  এবছর প্রাথমিক শি সমাপনী পরীক্ষায়  ৭২১ জন সফল হতে পারেনি।

সূত্র মতে, এ বছর জেলার মধ্যে রাঙামাটি সদর উপজেলা থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক পিএসসি পরীক্ষায় কৃতকার্য এবং জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। সদর উপজেলার ২হাজার ২৯৫ জন পরিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১শ ৭৬ জন। এই উপজেলায় পাশের হার ৯৮.২৯%। শতকরা হার বিবেচনায় জেলায় সবচেয়ে এগিয়ে ববরকল উপজেলা ।  বরকল উপজেলায় পাশের হার ৯৯.৫৩% এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৮ জন।

অন্যান্য উপজেলার মধ্যে কাউখালী উপজেলায় পাশের হার ৯৮.৯৬%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২ জন। নানিয়ারচর উপজেলায় পাশের হার ৯৭.৩৬% এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ জন। বাঘাইছড়ি উপজেলায় পাশের হার ৯৯.৩৫% এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২ জন। জুড়াছড়ি উপজেলায় পাশের হার ৯৭.৫৭% এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন। লংগদু উপজেলায় পাশের হার ৯৭.৮১% এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২২ জন। কাপ্তাই উপজেলায় পাশের হার ৯৮.১৮% এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৯ জন। রাজস্থলী উপজেলায় পাশের হার ৯৫.২০% এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ জন এবং বিলইছড়ি উপজেলায় পাশের হার ৯৮.৮১% এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন।

শিক্ষা বিষয়ক গবেষণা ধর্মী প্রতিষ্ঠান চিয়ার্ড এর নির্বাহী পরিচালক মোস্তফা কামাল জানান, কোমলমতী ছাত্র-ছাত্রীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে না পারাটা পরীক্ষার গুনগত ফলাফলের উপর প্রভাব ফেলেছে । পাশাপাশি পিএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্রের ফাঁসের মতো দুঃখজনক ঘটনা ও পরিক্ষার্থীদের উপর প্রভাব ফেলেছে। রাঙামাটি জেলার পাশের সার্বিক হার সন্তোষ জনক হলেও জিপিএ-৫ অর্জনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা মোটেই সন্তোষ জনক নয় । পাশাপাশি ডিআরভূক্ত একটি বড় সংখ্যক পরীক্ষার্থী সমাপনী পরীয় অংশ না নেয়ায় তারা প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীর আগেই শিক্ষা থেকে ঝরে পড়তে পারে  তাই এই বিষয়ে সজাগ দৃষ্টি দেয়া প্রয়োজন।

–হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

Print Friendly