প্রবীণ সাংবাদিক গিয়াস কামাল চৌধুরীর মৃত্যুতে দৈনিক গিরিদর্পণ পরিবারের শোক সভার আয়োজন

স্পেশাল রিপোর্টার, হিলবিডিটোয়েন্টিফোর ডটকম

Rangamati kamal,02

প্রখ্যাত প্রবীণ সাংবাদিক গিয়াস কামাল চৌধুরীর মৃত্যুতে রাঙামাটিতে শোক সভা করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের সর্বপ্রথম সংবাদপত্র দৈনিক গিরিদর্পণ পরিবার।

গিরিদর্পণ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত শোক সভায় সভাপতিত্ব করেন  গিরিদর্পণ সম্পাদক এ কে এম মকছুদ  আহম্মেদ। অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিএইচটি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক শামসুল আলম, এটিএন বাংলার রাঙামাটি প্রতিনিধি ও গিরিদর্পণের বার্তা সম্পাদক পুলক চক্রবর্তী,  জি টিভির রাঙামাটি প্রতিনিধি মিল্টন বাহাদুর, ৭১ টেলিভিশনের প্রতিনিধি উচিংছা রাখাইন কায়েস, ফটো সাংবাদিক লিটন শীল ও মোহনা টেলিভিশনের প্রতিনিধি ফাতেমা জান্নাত মুমু। শোক সভা শুরুতে মরহুম সাংবাদিক গিয়াস কামাল চৌধুরীর স্মরনে দাড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

শোক সভায় গিরিদর্পণ সম্পাদক এ কে এম মকছুদ আহম্মেদ বলেন গিয়াস কামাল চৌধুরী ছিলেন সাংবাদিকদের অভিভাবক। জাতীয় গণতান্ত্রিক ও পেশাজীবীদের অধিকার আদায়ের প্রতিটি আন্দোলনে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি ভয়েস অব আমেরিকার ঢাকা সংবাদদাতা হিসেবে তিনি বাংলাদেশের গ্রাম-গঞ্জে সমধিক পরিচিত ছিলেন। বিভিন্ন সময়ে একাধিক মেয়াদে তিনি ডিইউজে, বিএফইউজে ও জাতীয় প্রেস ক্লাবে সভাপতির দায়িত্ব পালন করে এসেছেন। তার মৃত্যুতে দেশের অপূরনীয় ক্ষতি হয়েছে।

এ কে এম মকছুদ  আহম্মেদ আরও বলেন  ১৯৭৮ সনের ২৬ মার্চ থেকে অবিভক্ত পার্বত্য চট্টগ্রামের সর্বপ্রথম ও একমাত্র মুখপত্র সাপ্তাহিক বনভূমি প্রকাশনা শুরুর ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামের সংবাদপত্রের ইতিহাসে এক গৌরবউজ্জ্বল অধ্যায়ের সূচনা হয়। ইতিহাসের এ সোনালী অধ্যায় সাংবাদিক গিয়াস কামাল চৌধুরীর অবদান মুছে যাবার নয়। সাপ্তাহিক বনভূমির আত্মপ্রকাশের মধ্যে দিয়ে পর্বিত্য অঞ্চলে প্রথম সংবাদপত্রের জন্ম নেয়। সাংবাদিক গিয়াস কামাল চৌধুরী এ পত্রিকার নামকরণ ও প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রথম উদ্যোগ  নিয়েছিলেন। নাম বাছাইয়ের পর যথারীতি আনুসাঙ্গিক কাজকর্ম সম্পাদন করে ডিকলারেশন পাওয়ার জন্য আইনগত জটিলতার কারণে পত্রিকা প্রকাশের বিলম্ব ঘটে। এ সময় ১৬ ডিসেম্বর ১৯৮১, ২১ ফেরুয়ারী ১৯৮২ সালে দুটি বিশেষ সংখ্যা প্রকাশের পর ২৬ মার্চ ১৯৮৩ থেকে নিয়মিত প্রকাশনা শুরু হয় বলেন গিরিদর্পণ সম্পাদক।

Print Friendly