পার্বত্য জেলা পরিষদ(সংশোধিত) আইনে মারমা সম্প্রদায় থেকে দুজন প্রতিনিধি নিশ্চিতের দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান

স্টাফ রিপোর্টার,হিলবিডিটোয়ন্টিফোর ডটকম
মন্ত্রী সভায় অনুমোদিত পার্বত্য জেলা পরিষদ(সংশোধনী) আইন -২০১৪ সালের মারমা সম্প্রদায়ের দুজন প্রতিনিধি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে মারমা সাংস্কৃতিক সংস্থা(মাসস)। বুধবার রাঙামাটিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে দেয়া প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে দেয়া স্মারকলিপিতে এই দাবি জানানো হয়েছে।  মাসস-এর সভাপতি অংসুই ছাইন চৌধুরী ও সাধারন সম্পাদক অংচাপ্র“ মারমার যৌথ স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, গত ১০ মার্চ মন্ত্রী সভার বৈঠকের্  প্রধানমন্ত্রীর দুরদর্শিতায় পার্বত্য জেলা পরিষদ(সংশোধনী) আইন -২০১৪ অনুমোদিত হওয়ায় মারমা সম্প্রদায় আনন্দিত। রাঙামাটি জেলায় পাহাড়ী জনগোষ্ঠীর জনসংখ্যানুপাতে মারমা নৃ-গোষ্ঠী অবস্থান দ্বিতীয় এবং ১৯৮৯ সালের ১৯ নং আইন(সংশোধিত) অনুসারে ৩৪ সদস্যর পার্বত্য জেলা পরিষদ সমুহের প্রতিনিধিত্ব রয়েছেন মাত্র চার জন। উপরন্তু ৫ সদস্যর অন্তবর্তীকালীন পরিষদে মারমা প্রতিনিধিত্ব রয়েছেন মাত্র একজন। তাই সকল পাহাড়ী জনগোষ্ঠীর যথাযথ প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্য বর্ধিত কলেবরে ১১ সদস্যর প্রতিনিধিত্ব থাকা সামাজিক সাম্য ও ন্যায়ানুগ অধিকার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে অপরিহার্য্য।

Water_Festival okhillbd24.com
স্মারকলিপিতে  আরও উল্লেখ করা, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর সম্পাদিত পার্বত্য শান্তি চুক্তির বদৌলতে পার্বত্যাঞ্চলে প্রতিটি পাহাড়ী জনগোষ্ঠীর স্বকীয় অস্তিত্ব এবং ঐতিহ্য সুরক্ষিত হয়েছে বলে মারমা জনগোষ্ঠী দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে।  স্মারকলিপিতে রুপকল্প ২০১২ এর অভিষ্ঠ পুরনের লক্ষ্য রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ(সংশেধিত) আইন ২০১৪ এ মারমা জনগোষ্ঠীর প্রতি ন্যায়ানুগ বিচেনা করে দুই মারমা সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্তির দাবি জাননো হয়েছে। অন্যথায় মারমা জনগোষ্ঠীর মানুষ প্রধানমন্ত্রীর রুপকল্পের দৃষ্টিভঙ্গী ও দর্শন থেকে বঞ্চিত হওয়ার  পাশাপাশি মনের দিক থেকে হতাশা ও বিষন্নতায় ভারাক্রান্ত হবে। একই সাথে পার্বত্য শান্তি চুক্তির সুফল থেকে এই মারমা জনগোষ্ঠীর মানুষ বঞ্চিত থেকে যাবে।
–হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

Print Friendly