পার্বত্য চট্টগ্রামে রেশম চাষের সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন দ্বার খুলতে যাচ্ছে

নজরুল ইসলাম লাভলু, কাপ্তাই,হিলবিডিটোয়েন্টিফোর ডটকম

kapt

তিন পার্বত্য জেলায় রেশম চাষের সম্প্রসারণ ও উন্নয়নের সম্ভাবনার দ্বার খুলে যাচ্ছে। রেশম চাষ সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন প্রকল্পথেকে সম্ভাব্যতা যাচাই কতে ৫ সদস্যের একটি কমিটি শুক্রবার কাপ্তাইয়ের কয়েকটি স্থান পরিদর্শন করেছেন।

উল্লেখ্য, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীদের সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। এসময় মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন রেশম শিল্প সম্পর্কে তিনি খোঁজখবর নেন। এসময় তিনি তিন পার্বত্য জেলায় রেশম শিল্পের ব্যাপক সম্প্রসারণ ও উন্নয়নের আগ্রহ প্রকাশ করেন। সে অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রামে রেশম শিল্পের সম্প্রসারণ ও উন্নয়নের সংম্ভাব্যতা যাচাই করতে গঠিত কমিটি তিন পার্বত্য জেলায় সরেজমিন পরিদর্শন করছেন।

জানাগেছে, তিন পার্বত্য জেলায় রেশম চাষ সম্প্রসারণ ও উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কয়েকদিন ধরে এ কমিটি পার্বত্য জেলা সমূহের বিভিন্ন উপজেলা সরেজমিন পরিদর্শন করেন। এরই অংশ হিসেবে শুক্রবার কমিটির সদস্যরা কাপ্তাই উপজেলাধীন ওয়াগ্গা ইউনিয়নের তালুকদার পাড়া ও বারঘোনা মুখ তঞ্চঙ্গ্যাপাড়া পরিদর্শন করেন। এসময় কমিটির আহ্বায়ক বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো: মাহাবুবুর রহমান, কমিটির সদস্য সচিব ও বোর্ডের গবেষনা কর্মকর্তা (পরিকল্পনা) মো: সিরাজুর রহমান, সদস্য ও উর্দ্ধতন গবেষনা কর্মকর্তা কামনাশীষ দাশ, সদস্য ও উপ-পরিচালক মো: রাশেদুল হক, সদস্য ও হিসাব রক্ষক মো: মজিবুল হক এলাকার বিভিন্ন চাষীদের সাথে রেশম চাষ সম্পর্কে মতবিনিময় করেন।

সূত্র জানায়, ‘প্রজেক্ট অন সেরিকালচার রিসার্চ এন্ড টেকনোলজি ডিসেমিনেশন ইন হিলি ডিস্ট্রিকের’ আওতায় চন্দ্রঘোনা রেশম গবেষনা কেন্দ্র কর্তৃক ২০০৯-২০১৪পর্যন্ত একটি প্রকল্প হাতে নেয়। পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয়ের আর্থিক সহায়তায় এ প্রকল্পের আওতায় পাহাড়ী-বাঙ্গালী বেকার যুবক-যুবতীদের রেশম চাষের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সাবলম্বী করে গড়ে তোলায় এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য। ইতিমধ্যে এ প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণ নিয়ে অনেক যুবক-যুবতী নিজেদের সাবলম্বী করে গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। কমিটির সদস্যরা সাবলম্বী যুবক-যুবতীদের দেখে অভিভূত হয়ে পড়েছে।

এ ব্যাপারে কমিটির আহ্বায়ক মো: মাহাবুবুর রহমান জানান,সরেজমিন পরিদর্শন শেষে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পরেই প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।
–হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

Print Friendly