নাইক্ষ্যংছড়িতে এক পুলিশ সদস্য ও মহিলা বাবুর্চির আকস্মিক মৃত্যু

 মংনু মারমা,নাইক্ষ্যংছড়ি, হিলবিডিটোয়েন্টিফোর ডটকম

Ban Map

বান্দরবান পার্বত্য জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি থানার সোনাইছড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ সদস্য হাসানুর রহমান (৩২) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। অপরদিকে বিনাবালী মালীনী নাইক্ষ্যংছড়ি হাসপাতালের বাবুচি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অন্তর্গত সোনাইছড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ কনষ্টেবল হাসানুর রহমান চাকুরীর বেতন তোলার জন্য কর্মস্থল সোনাইছড়ি থেকে ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেলযোগে নাইক্ষ্যংছড়ি সদরে যাচ্ছিলেন। নাইক্ষ্যংছড়ির কেন্দ্রীয় বাজার জামে মসজিদ এলাকায় পৌছলে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে এলাকার লোকজন হাসানুরকে রিক্স্রা যোগে নাইক্ষ্যংছড়ি স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। এতে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক পুলিশ কনষ্টেবল হাসানুর রহমানকে মৃত ঘোষনা করেন । সন্ধ্যায় বান্দরবান সদর হাসপাতালে হাসানুর রহমানের লাশ ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার সকালে বান্দরবান পুলিশ লাইলে হাসানুর রহমানের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত পুলিশ কনষ্টেবল হাসানুর রহমানের নিজ বাড়ী দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার রাজার রামপুর গ্রামে। তার পিতার নাম মেকরাইল হক। মৃত হাসানুর রহমানের এক কন্যা সন্তনের জনক । পুলিশ সদস্য হিসাবে হাসানুর রহমান পুলিশ বাহিনীতে দীর্ঘ সাড়ে ১২ বছর যাবৎ কর্মরত ছিলেন ।

নাইক্ষ্যংছড়ি হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ রঞ্জন চৌধুরী জানান,পুলিশ কনষ্টেবল হাসানুর রহমান হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে । তার শরীরে আর কোন রোগ ব্যধি ছিল না ।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান,পুলিশ কনষ্টেবল হাসানুর রহমান সাহসী ও নির্ভিক পুলিশ সদস্য ছিলেন। তার মৃত্যুতে আমরা এক কর্তব্যপরায়ণ পুলিশ সদস্যকে হারিয়েছি । ।

এদিকে বিকাল ৩ টায় নাইক্ষ্যংছড়ি হাসপাতালের বাবুর্চি বিনা বালা মালিনী দুপুরের  রান্না শেষ করে নিজে খাওয়া দাওয়া শেষ করে নিজ রুম থেকে হাসপাতালের দিকে রওনাকালে জ্ঞান হারিয়ে রাস্তায় পড়ে যান। এপরে তাকে হাসপাতালের ভর্তির পর জরুরী বিভাগের কতর্ব্যরত চিকিৎসক ডাঃ রঞ্জন চৌধুরী দীর্ঘ পরীক্ষা নিরিক্ষা শেষে বিনা বালা মালীনীকে মৃত ঘোষনা করেন। দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে তিনি কুক মশালচি (বাবুর্চি) পদে কর্মরত ছিলেন।  বিনা বালা মালীনী কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার হৃীলার বাসিন্দা।

–হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

Print Friendly