তিন দফা দাবিতে শনিবার থেকে খাগড়াছড়িতে অর্নিদিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের আল্টিমেটাম পরিবহন নেতাদের

খাগড়াছড়ি প্রতিবেদক,হিলবিডিটোয়েন্টিফোর ডটকম

Khag mapখাগড়াছড়ি জেলা শহর ছাড়া অন্যান্য উপজেলায় সরকারী মালিকানার বি.আর.টি.সি. বাস সার্ভিস সড়কে বেপরোয়া চাঁদাবাজীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং চট্টগ্রামে যাত্রী কল্যাণে স্থায়ী টার্মিনাল নির্মাণের দাবীতে শনিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট শুরু হবে।

খাগড়াছড়ি জেলার সীমানার মধ্যে সবক’টি সড়ক এই ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বলে পরিবহন সংগঠনের নেতারা জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার খাগড়াছড়ি’র জেলা প্রশাসককে ‘খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিবহন মালিক-শ্রমিক সমন্বয় পরিষদ’ নামের একটি সংগঠনের দেয়া এক স্মারকলিপিতে ধর্মঘট নিয়ে ২৪ ঘন্টার এই আল্টিমেটাম দেয়া হয়। তবে জেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, পরিবহন সংগঠনের ব্যানারে একটি আবেদন জমা পড়েছে। তবে এতো শর্ট নোটিশে পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেয়া যেমন জনস্বার্থ বিরোধী আবার সরকারী পরিবহন বন্ধ করার এখতিয়ারও মন্ত্রণালয়ের। তবে চাঁদাবাজীর বিষয়ে মামলা হলে প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সংগঠনটির সাঃ সম্পাদক মুহাম্মদ ইউনুছ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, উপজেলা পর্যায়ে ‘বি.আর.টি.সি. বাস সার্ভিস’ চালু হওয়ায় বেসরকারী পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এই মর্মে বিগত ২০১১ সালের ১৫ নভেম্বর জেলা সড়ক পরিবহন কমিটির সভায় শুধমাত্র খাগড়াছড়ি জেলাশহর পর্যন্ত ‘বি.আর.টি.সি. বাস সার্ভিস’ সীমিত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বলেও তিনি দাবী করেন।

এদিকে ‘খাগড়াছড়ি সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের সাধারন সম্পাদক ও জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাঃ সম্পাদক এস এম শফি জানিয়েছেন, চাঁদাবাজীতে অতিষ্ঠ হয়ে ঠি দেয়ালে ঠেকে যাওয়ায় মহান বিজয়ের মাসেও ধর্মঘটের কর্মসূচী দিতে বাধ্য হলাম। তিনি বলেন, ২০১৩ সালের ১১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় বিঘ্ন সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়ায় চাঁদাবাজী সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

তবে সংগঠনটি এই ধর্মঘটের ইস্যুতে একই সাথে খাগড়াছড়ি-রাঙ্গামাটি সড়কসহ খাগড়াছড়ি জেলার সাথে উপজেলা সংযোগ সড়কগুলোতে কয়েকটি আঞ্চলিক দলের নামে বেপরোয়া চাঁদাবাজী এবং চট্টগ্রাম শহরে খাগড়াছড়ি-রাঙ্গামাটিসহ উত্তর চট্টগ্রামের যাত্রীদের জন্য একটি স্থায়ী টার্মিনাল নির্মাণের দাবীটিও যুক্ত করেছে।
–হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

Print Friendly