খাগড়াছড়ির তিন উপজেলার নির্বাচনী ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছেন ইউপিডিএফ সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রসিত বিকাশ খীসা

বিশেষ প্রতিনিধি,খাগড়াছড়ি,হিলবিডিটোয়েন্টিফোরডটকম
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খাগড়াছড়ির ২৯৮ নং আসনের মাটিরাংগা, রামগড় ও মানিকছড়ি উপজেলার ব্যাপক জালিয়াতি ও কারচুপির অভিযোগ এনে নির্বাচনী ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট(ইউপিডিএফ) এর সভাপতি প্রসিত বিকাশ খীসা(হাতি)।

ই্উপিডিএফের কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা বিভাগের প্রধান নিরন চাকমার সোমবার (৬ জানুয়ারী) স্বাক্ষরিত সংবাদ মাধ্যমকে দেয়া এক বিবৃতিতে ইউপিডিএফ-এর সভাপতি ও খাগড়াছড়ি আসনের প্রার্থী প্রসিত বিকাশ খীসা নির্বাচনী ফলাফল প্রত্যাখানের কথা উল্লেখ করেছেন।

বিবতিতে তিনি অভিযোগ করে বলেন, ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীর পক্ষের লোকজন মাটিরাংগা পাইলট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্র হতে আমার এজেন্টদের ভয়ভীতি দর্শন করে বের করে দিয়ে ভোট জালিয়াতি ও কারচুপি করেছে। অপরদিকে তাঁর (প্রসিত বিকাশ খীসা) প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট সর্বোত্তম চাকমা জানান, তিনি মাটিরাঙ্গার তাইন্দং উচ্চ বিদ্যালয়, ধলিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় (আদর্শগ্রাম), মাটিরাংগা পাইলট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় সরোজমিনে পরিদর্শন করেছেন। এসময় তিনি তাইন্দং উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট প্রদান করতে দেখেছেন।

প্রসিত খীসা দাবী করেন, ভোট কেন্দ্রগুলোতে প্রত্য পর্যবেণে ভোটার উপস্থিতি কম হলেও ফলাফলে যেভাবে ভোট কাস্টিং দেখানো হয়েছে, তার সাথে উপস্থিতির বিরাট পার্থক্য রয়েছে।

তিনি বলেন, মাটিরাঙ্গা উপজেলা বাদেও মানিকছড়ি ও রামগড় উপজেলায়ও একইভাবে ব্যাপক ভোট কারচুপি করা হয়েছে। এমতাবস্থায় আমি উক্ত তিন উপজেলার নির্বাচনী ফলাফল প্রত্যাখ্যান করছি এবং উক্ত উপজেলাসমূহে পুনরায় ভোট গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।

উল্লেখ্য, গতকাল ৫ জানুয়ারি রবিবার রাতে ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে জেলা রিটার্নিং অফিসারের বরাবরে প্রসিত বিকাশ খীসা একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

এদিকে জেলা প্রশাসক ও রির্টানিং অফিসার মোঃ মাসুদ করিম জানান, নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ হয়েছে। কোথাও কোন অপ্রীতিকর বা ভোটারদের জোর-জবরদস্তি করা হয়েছে, এমন খবর পাওয়া যায়নি। তিনি জানান, স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রসিত কিাশ খীসা’র পক্ষ থেকে দেয়া লিখিত অভিযোগের বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। প্রমাণ ফেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবো।
–হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

 

Print Friendly