কেপিএমকে বাঁচাতে আধুনিকায়ন ও অর্থ সহযোগিতা করা হবে–ফিরোজা বেগম চিনু এমপি

কাপ্তাই প্রতিনিধি, হিলবিডিটোয়েন্টিফোর ডটকম

KPM-1

 রোববার রাঙামাটির কাপ্তাইয়ের কর্ণফুলি পেপার মিলস (কেপিএম)-এ পরিদর্শন ও মিলের কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেছেন তিন পার্বত্য সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাংসদ ফিরোজা বেগম চিনু।

 কেপিএম গেষ্ট হাউজে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন মিলের এমডি প্রকৌশলী মোছাব্বেরুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন, সিবিএ সভাপতি তৌহিদ আল মাহবুব চৌধুরী, জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মফিজুল হক, উপজেলা আ’লীগ সভাপতি অংসুই ছাইন চৌধুরী, সিবিএ সাধারণ সম্পাদক হাজী আবদুল ওহাব বাবুল প্রমুখ। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, মিলের জিএম (প্রশাসন) আনোয়ার হোসেন, নিরাপত্তা কর্মকর্তা সাহাবুদ্দিন আজাদ, উৎপাদন বিভাগীয় প্রধান ড. এমএমএ কাদের, অতিরিক্ত প্রধান হিসাব রক্ষক গোলাম ফারুক, টেকনিক্যাল বিভাগীয় প্রধান বিদ্যুৎ কুমার বিশ্বাস, এফআরএম বিভাগীয় প্রধান খুরশিদ আলম, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ আহাম্মদ।

বৈঠকে প্রধান অতিথি বক্তব্যে ফিরোজা বেগম চিনু এমপি বলেন বলেন, দেনার দায়ে জর্জরিত কেপিএমকে বাঁচাতে আধুনিকায়ন সহ অর্থ সহযোগিতা করা হবে। কেপিএম ঐতিহ্যবাহী একটি কাগজ কল। এর সাথে স্বাধিকার আন্দোলনের সম্পৃক্ততা ছিল। এ মিলের উৎপাদনের সাথে হাজার হাজার শ্রমিকের ভাগ্য জড়িত। কালের বিবর্তনে বর্তমানে মিলটি যান্ত্রিক সমস্যা সহ আর্র্থিক সংকটে পড়েছে। এর থেকে উত্তরণের জন্য মিলটিকে আধুনিকায়ন সহ অর্থ সহযোগিতা প্রদানের প্রয়োজন। এজন্য সরকারের উচ্চ মহলে আলোচনার মাধ্যমে প্রচেষ্টা চালাবেন বলে আশ্বাস দেন তিনি।

মিলের এমডি মোসাব্বেরুল ইসলাম বলেন, ১৯৫৩ সালে কেপিএম প্রতিষ্টিত হয়। প্রতিষ্ঠকালে এর বার্ষিক উৎপাদন ছিল ৩০ হাজার মেঃ টন । বর্তমানে বার্ষিক উৎপাদন ১৫ হাজার মেঃ টনে নেমে এসেছে।  এ প্রতিষ্ঠানের আয়ুষ্কাল ৪০ বছর ধরা হলেও এটি বর্তমানে ৬০ বছরের উর্ধ্বে। এছাড়া কেপিএম প্রায় ৪ শ’ কোটি টাকা দেনা রয়েছে। বর্তমানে মিলে কাঁচামাল ও বিভিন্ন ক্যামিকেলের মারাত্বক সংকট রয়েছে। সেই সাথে কিছু কিছু প্লান্ট জুরুরী ভিত্তিতে মেরামত করা প্রয়োজন। অর্থের অভাবে এসব সংকট মোকাবেলা সম্ভব হচ্ছেনা। কমপক্ষে ১৪০ কোটি টাকা মুলধন পাওয়া গেলে আগামী ৬ মাসের মধ্যে মিলটি পুনরায় ঘুরে দাড়াঁতে সক্ষম হবে বলে জানান তিনি।

  –হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

Print Friendly