কাপ্তাই হ্রদের মাছ ধরা ও পরিবহনের উপর নিষেধাজ্ঞা ৭ মে থেকে বলবৎ হচ্ছে  

স্টাফ রিপোর্টার, হিলবিডিটোয়েন্টিফোর ডটকম

lllaKhillbd24.com

কাপ্তাই হ্রদে মাছের সুষ্ঠু প্রজনন, বংশ বৃদ্ধি, মজুদ এবং ভারসাম্য রক্ষার্থে আগামী ৭মে থেকে অনির্ষ্টিকালের জন্য হ্রদের সকল প্রকার মাছ ধরা, সংরক্ষন, বাজারজাতকরণ,শুকানো ও পরিবহনের উপর নিষেধাজ্ঞার ঘোষনা বলবৎ হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত সোমবার মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন রাঙামাটির ব্যবস্থাপক কমান্ডার মাইনুল ইসলমের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ১মে মধ্যরাত থেকে অনির্ষ্টিকালের জন্য কাপ্তাই  হ্রদের সকল প্রকার মাছ ধরা, বাজারজাত, শুকানো, সংরন ও পরিবহনের উপর নিষেধাজ্ঞা জারী করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন।

বুধবার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট সাইফ উদ্দিন আহমেদের স্বারিত জারীকৃত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বর্তমান মৌসুমে কাপ্তাই হ্রদের মাছের সুষ্ঠু প্রজনন, বংশ বৃদ্ধি, মজুদ এবং ভারসাম্য রক্ষার্থে আগামী ১ মে মধ্যরাত হ্রদে মাছ ধরা, সংরক্ষন, বাজারজাতকরণ,শুকানো ও পরিবহনের উপর নিষেধাজ্ঞা জারী থাকলেও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী, স্থাণীয় দুই সাংসদের সুপারিশ এবং মৎস্য ব্যবসায়ীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আরও ৭দিন সময় বাড়ানো হয়েছে। তাই আগামী ৭ মে  মধ্যরাত থেকে কাপ্তাই হ্রদের সকল প্রকার মাছ ধরা, সংরক্ষন, বাজারজাতকরণ,শুকানো ও পরিবহনের উপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ হবে। উক্ত সময়ে হ্রদের মাছ ধরা, সংরক্ষন,ক্রয়-বিক্রয়,  ও পরিবহন করা হলে সবই অবৈধ বলে বিবেচিত হবে।

উল্লেখ্য, ১৯৬০ সালের দিকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য রাঙামাটির কর্ণফুলী নদীর উপর বাধ দিয়ে তৈরী করা দক্ষিণ-পুর্ব এশিয়ার সর্ববৃহৎ কৃত্রিম হ্রদ। এ হ্রদ সৃষ্টির ফলে ২৫৬ বর্গমাইল এলাকা জুড়ে বিশাল জলধারার সৃষ্টি ফলে ৫৪ হাজার কৃষি জমি পানিতে ডুবে যায়। এ বাধের কারণে এক লাখের বেশী অাদিবাসী পাহাড়ী লোকজন উদ্বাস্তুতে পরিণত হয়। বর্তমানে হ্রদে বিদ্যূৎ উৎপাদনের পাশাপাশি মাছ উৎপাদন করে সরকার প্রতি বছর বিপুল পরিমানের রাজস্ব আয় করছে।

–হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

Print Friendly