আদিবাসীদের সাংস্কৃতিক সেতু বন্ধন সুদৃয়ের অঙ্গিকারের মধ্য দিয়ে রাঙামাটিতে আদিবাসী মেলা সমাপ্ত

 স্টাফ রিপোর্টার, হিলবিডিটোয়েন্টিফোর ডটকম

okhillbd24.com

পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ১১ভাষাভাষি ১৪টি আদিবাসী সম্প্রদায়ের সাংস্কৃতিক সেতু বন্ধন সুদৃঢ় করার অঙ্গিকারের মধ্য দিয়ে শনিবার রাঙামাটিতে তিন ব্যাপী আদিবাসী মেলা সমাপ্ত হয়েছে।

রাঙামাটি সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট মিলায়তনে জুম ঈসথেটিকস কাউন্সিল (জাক) এর উদ্যোগে আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানে বিকালে আদিবাসী কবিতা পাঠের আসর এবং চাকমা, বম ও ত্রিপুরা সাংস্কৃতিক দলের মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

এছাড়া সন্ধ্যায় শান্তিময় চাকমার রচনায়, সুখময় চাকমার নির্দেশনায় ও জাকের নাট্য দলের পরিবেশায় দুলো পেদার দোলি নাজানা চাকমা নাটক মঞ্চস্থ হয়। সমাপনী দিনে আদিবাসী মেলায় নারী-পুরুষের উবছে পড়ার ভিড় ল্য করা গেছে।

এদিকে সকালের দিকে রাঙামাটি সাংস্কৃতিক মিলায়তনে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা সিআইপিডির সহায়তায় আদিবাসী সংস্কৃতি ও সাংস্কৃতিক অধিকার শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান আলোচক ছিলেন বরণ্য নাট্যজন মামুনুর রশিদ। অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচক ছিলেন বিশিষ্ট শিাবিদ প্রফেসর মংসানু চৌধুরী, সুদত্ত বিকাশ তংচংগ্যা, মথুরা লাল ত্রিপুরা,লালসোয়াক লিয়ানা পাংখোয়া, এ্যাডভোটে সুস্মিতা চাকমা, কালায়ন চাকমা, জোহান ম্রো, চিং মে প্রু মারমা, সুই চা প্রু মারমা  প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্যে রাখেন সিআইপডি-এর নির্বাহী পরিচালক জনলাল চাকমা ও জাকের সাবেক সভাপতি শিশির চাকমা।

উলেখ্য, তিন পার্বত্য জেলায় বসবাসরত আদিবাসী এগার ভাষাভাষি ১৪টি আদিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে সাংস্কৃতিক ঐক্যর সেতু বন্ধনের লে এবং ঐতিহ্যবাহী প্রধান সামাজিক উৎসব হল বিজু, সাংগ্রাই, বৈসুক, বিষু, বিহু কেন্দ্র করে প্রতিবছর এই মেলার আয়োজন করা হয়ে থাকে। আগামী ১২ এপ্রিল থেকে তিন দিন ব্যাপী এ প্রধান সামাজিক উৎসব শুরু হবে।

–হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

Print Friendly